প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কত সালে 'মানব কল্যাণ'
প্রবন্ধটি রচনা করেন?
A.
১৯৭২
B.
১৯৭৩
C.
১৯৭৪
D.
১৯৭৫
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯৭২
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
- ইসলামের নবি (স.) ভিক্ষুককে কুড়াল কিনে দিয়েছিলেন কেন?
- কোনটি তদ্ভব শব্দের উদারহণ?
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন শ্রেণির রচনা?
- 'মানবিক বৃত্তি' বলতে আমরা যেটিকে বুঝি- মানবতাদয়াসেবানিচের কোনটি সঠিক?
- কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব কীসের দ্বারা?
- ণত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলােচিত হয়?
- নীরস এর সন্ধি বিচ্ছেদ কর -
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।উদ্দীপকের 'নিজেরে করো জয়' তোমার পঠিত প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
- কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন?
- কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের শফিকের উদ্যোগটি সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য কতটুকু যুক্তিযুক্ত? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- ‘তাই সবরকম কল্যাণ কর্মেরও রয়েছে সামাজিকপরিণতি।' 'মানব-কল্যাণ' রচনায় মানুষ একথা ভুলেযায় কেন?
- ফুলপুর গ্রামের দরিদ্র চা-বিক্রেতা দাউদ। পিতৃহীন সংসারে পঙ্গু দাউদই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাব-অনটনের সংসারে কোনোভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে। বসতঘরের দশাও বেহাল। গ্রামের সামর্থ্যবান অনেকের কাছে সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষে দাউদ পরোপকারী ডাক্তার রেজাউলের কাছে সাহায্য চায় ভাঙা ঘরটা মেরামত করার জন্য। ডাক্তার সাহেব দাউদকে একটা পাকাঘর তুলে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্র ডাক্তার রেজাউলের ভূমিকা 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? তোমার যুক্তি দেখাও।
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।উদ্দীপক-১ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
- সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
- মেঘলা একজন জনপ্রিয় কলেজ শিক্ষক। একদিন তারছাত্রী রাবেয়ার বাবা মারা গেলে তার পরিবারটি একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মেঘলা তার সহকর্মীদের সাথে কথা বলে রাবেয়াকে কুটির শিল্পের ব্যবসা করার প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কিনে দেন। উদ্দীপকের মেঘলার কাজটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধালোকে কৌন ধরনের কাজ?