'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কলো। দোহারা গড়ন। আয়তচোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সি কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেতে গড়াগড়ি খায়। কখনো অন্ধকার রাতে পরের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। কখনো শীতের হাড়কাঁপুনি রাতে টুনি অন্যের খেজুর গাছে শিরনি বাঁধার জন্য হাঁড়ি নিয়ে গাছে ওঠে।
উদ্দীপকের টুনি ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের কোন সমস্যার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণে তার অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।'উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু এবং তোমার পঠিত নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
- উদ্দীপকের সংকেত অনুসারে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করো।
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কতদিনের পথ?
- তাহেরার বিয়ে হলো তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বয়সি হামিদআলীর সাথে। বিয়ের আগে পাত্রী দেখতে এলে হামিদআলীকে তাহেরা ভেবেছিল সে তার হবু শ্বশুর। উদ্দীপকের তাহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রটির সাথে তুলনীয়?
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী কে?
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।"উদ্দীপকের টুনি' চরিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সামগ্রিক দিক উন্মোচিত হয়নি।"- মূল্যায়ন, করো।
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝপথে কোন গাছ পড়ে?
- মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"উদ্দীপকের মতিয়ারের সঙ্গে গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য দেখাও।
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতু চক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধ শতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলেপাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা,অন্ধকার আত্মার দেবতা ইহাদের পুজো কোনদিন সাঙ্গ হয় না।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের। মন্তব্যটির মূল্যায়ন কর।
- কোন প্রকাশনা সংস্থা ‘লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে?
- লালসালু' উপন্যাস 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ কী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে?
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’ - লালসালু উপন্যাসের কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।"উদ্দীপকের কদম আলি ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই মুদ্রার এপিঠ- ওপিঠ।"- বিশ্লেষণ করো।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের আলাল কবিরাজ ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপ ধারণ করেছে। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ'—বলার কারণ কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করারঅভ্যাস কার?
- “ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে"-উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে বাঙালি সমাজের কোন অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে?
- "ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে?"- ব্যাখ্যা করো।
- 'ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকমের জুয়ো খেলা'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'কলম জানো মিঞা' – মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করে?
- তাহের আর কাদের মজিদকে প্রথম কোথায় দেখেছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে উল্লিখিত আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- মজিদ ক্রোধে কেমন করে?
- সে তার ঘরের খুঁটি' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- মজিদ আক্কাসের স্কুল স্থাপনের প্রচেষ্টাকে বানচাল করে দেয় কারণ-
- 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পা??য়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সিংহাসনে আরোহণ এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনে আরোহণের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের কেরামত কবিরাজ এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের লোক ঠকানোই পেশা- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- প্রিয় পয়গম্বরের বাণী এল কত হিজরিতে?