'হৈম কিছু না বলিয়া একটু হাসিল।' বাক্যটির নেতিবাচক রুপ -
A. হৈম কিছু না বলিয়া হাসিল না
B. হৈম না হাসিয়া কিছু বলিল
C. হৈম কিছু না বলিয়া একটি না হাসিয়া পারিল না
D. হৈম না হাসিয়া কিছূ বলিল না
সঠিক উত্তরঃ
C.
হৈম কিছু না বলিয়া একটি না হাসিয়া পারিল না
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' প্রবন্ধে বর্ণিত কাদের দেহেরতাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত নয়?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় কারা প্রকৃতির কোনোক্ষতি করে না?
- মার্জার শব্দের অর্থ কী?
- কোন রচনায় খরগোশের গল্পের উল্লেখ আছে?
- নিম্নে উদ্ধৃত কাব্যপক্তিগুলোর কোনটি শুদ্ধ?
- নিচের কোন ব্যক্তি ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না?
- একটি ফটোগ্রাফ কবিতার ছোট ছেলেটি কত আগে ডুবে মারা গিয়েছিল ?
- 'একটি ফটোগ্রাফ'- কবিতায় সময় পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কী অনুভব করা হয়েছে?
- ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা?
- গাছের একটি শসা চুরির অপরাধে দরিদ্র বালক ফজলকে নির্দয়ভাবে প্রহার করেন ধনী গৃহস্থ কোবাদ আলী। বালকটি আর্তনাদ করে বলে আর সে কখনো কিছু চুরি করবে না। ঘটনাটি দেখে মনু মাস্টারের প্রাণ কেঁদে ওঠে। দরিদ্র বালক ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করেছে। নগণ্য একটি অপরাধে এমন অমানবিক শান্তি। অথচ অন্যায়ভাবে কত মানুষের জমি দখল করে ধনী হয়েছেন কোবাদ আলী। মন খারাপ হলেও চোরের পক্ষ নিয়ে কথা বলার অবকাশ পান না মনু মাস্টার।'উদ্দীপকের মনু মাস্টারের অসহায়ত্বই প্রতিফলিত হয়েছে কমলাকান্তের কথা ও আচরণে'- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- “হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোন জন!কাণ্ডারী বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার।”উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতারসাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চানযেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানএইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'কখনো আমার মা-কে’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
- প্রমথ চৌধুরীর মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী?
- 'ঐকতান' কবি??ায় কবি জ্ঞানের দীনতা পূরণ করেনকী দ্বারা?
- ‘মায়াবী প্রহর’ নাটকটি কার রচনা?
- নুসরাত শাহের আশরাফপুর শিলালিপি কোন হরফেলেখা?
- মাৎস্যন্যায় (Malsyanayam) বলা হয়-
- 'সে গ্রামের লোকের সুসভ্য হইয়াছে ।'- ‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় বাক্যটিতে ব্যক্ত গ্রামটি?
- ‘এতদিন পরে এলে’- ‘কবর’ কবিতায় এ কথা দাদি কিভাবে বলতেন?
- ‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন-
- জগৎ জুড়িয়া আছে এক জাতিসে জাতির নাম মানুষ জাতি।উদ্দীপকের সাথে ‘সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য কোথায়?
- “শির নেহারি নতশির ঐ শিখর হিমাদ্রীর”- 'নেহারি’ শব্দের অর্থ কি?
- কমলাকান্তের জবানবন্দী অনুসারেঃ কমলাকান্ত-
- "যখন বিচারে পরাস্ত হইবে তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।"- ব্যাখ্যা কর।
- কোনটি আত্মভাব প্রধান কবিতা?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে 'তপোবন প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ'বলতে যা বোঝানো হয়েছে—
- "নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়" কাব্যনাট্যাংশে 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' চরণটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- কোন কবিতায় সম্বন্ধ পদের ব্যাপক ও বৈচিত্রময় ব্যবহার হয়েছে?
- কবি আহসান হাবীবের ‘সেই অস্ত্র’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত ?
- 'দেউল' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়েকতবার প্রাণ, মোর উঠিয়াছে গেয়েপ্রকান্ড উল্লাস ভরে, ইচ্ছা করিয়াছেসবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছেসমুদ্র মেখলা পরা তব কটিদেশ;প্রভাত রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষব্যপ্ত হয়ে দিকে দিকে অরণ্যে ভূধরেকম্পমান পল্লবের হিল্লোলের পরেকরি নৃত্য সারাবেলা;"উদ্দীপকের চিত্রময় বর্ণনার সাথে 'ঐকতান' কবিতায় চিত্রিত বিশ্ব সৌন্দর্য যেন একাত্মতা লাভ করেছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;পড়ি কি ভূতলে শশী খান গড়াগড়িধূলায়?” – বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- এই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।উদ্দীপকের 'মানবাত্মার জাগরণ' 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন বক্তব্যের প্রতিফলন? যুক্তিসহ লেখ।
- ‘এইসব দিনরাত্রি’ নাটকটির লেখক-
- শাস্ত্রকারেরা গাহস্থ্য ব্যাপারটিকে কী হিসেবে কল্পনা করেছ??ন?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।উদ্দীপকের ডাক্তার মনিরুলের চেতনার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ’রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রঙ ছড়াইতে ছাড়াইতে তাহার অস্ত।- কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'সংসারে ক্ষীর, সর, দুগধ, দধি, মৎস, মাংস ;সকলই তোমরা খাইবে।'- এখানে 'তোমরা' কারা?
- 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের দ্বিতীয় খন্ড বলা হয় কোনটিকে ?
- ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসের লেখক কে?